তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

খালেদা জিয়ার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ
[ভালুকা ডট কম : ১১ জুন]
সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চলমান মামলাগুলোর বিচারের জন্য আদালত স্থানান্তরে সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে যাবার আদেশ দিয়েছে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ।  আজ (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত রিটটি নিয়মিত বেঞ্চে নিয়ে যাওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী। তাদেরকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর হেলাল উদ্দিন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। এর আগে রোববার (২৬ মে) বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রিটটি দায়ের করেন। সোমবার রিটের শুনানিতে সাপ্লিমেন্টারি নথিপত্র এফিডেভিট আকারে দাখিলের জন্য কয়েক ঘণ্টা সময় প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর আদালত শুনানির জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করে আদেশ দেন।

গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলার শুনানির জন্য পুরাতন ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৯ স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে গত ২১ মে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ প্রেরণ করেন। ওই নোটিশে দাবি করা হয়, সরকারের প্রজ্ঞাপনটি বেআইনি। কারণ, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোনো বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী। কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে তা ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে দেওয়া আছে। ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারি আইনের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে।

ওদিকে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নৈশকোচে পেট্রোল বোমা হামলায় আটজনকে পুড়িয়ে হত্যা করার মামলায় তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩১ জুলাই ধার্য করেছে আদালত। আজ দুপুরে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মো. আলী আকবর এ আদেশ দেন। এই মামলার অন্যতম আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি অন্য মামলায় জেলে আছেন। আজ মামলার পলাতক আসামিদের মালামাল ক্রোক-সংক্রান্ত আদেশ জারির তারিখ ধার্য ছিল।

উল্লেখ্য, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের লাগাতার হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করলে ৮ যাত্রী নিহত এবং আরও কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী দ্বগ্ধ হন। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতাসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা হয়। এ মামলায় ৭৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই