তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাজনৈতিক শূণ্যতা ও প্রতিহিংসা থেকে উৎপন্ন হয় গুম-ন্যাপ

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস
রাজনৈতিক শূণ্যতা ও প্রতিহিংসা থেকে উৎপন্ন হয় গুম-ন্যাপ
[ভালুকা ডট কম : ৩০ আগস্ট]
গুমসহ ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং সব ধরণের অন্যায় অবিচার প্রতিরোধ করতে মানবাধিকারকর্মীসহ প্রত্যেক নাগরিককে সোচ্চার হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

নেতৃদ্বয় গুম হয়ে যাওয়া ও হারিয়ে যাওয়া মানুষদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ এবং তাদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে  বলেন, দেশে গুমের আতঙ্ক এখন সর্বত্র পরিব্যপ্ত। রাজনৈতিক শূণ্যতা, প্রতিহিংসা ও অপশাসন থেকে উৎপন্ন হয় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো মানবতাবিরোধী হিংস্রতা। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়া মানুষের স্মরণে জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত দিবসটি ২০১১ সাল থেকে পালিত হয়ে আসা আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, গণমাধ্যমে চোখ বুলালে আর খবরের কাগজ খুললেই খুন, গুম, নারী নির্যাতন। এর সঙ্গে সরকারী দলের, সহযোগি ও সমর্থিত সংগঠনের নেতা-কর্মীরাই জড়িত। কোন কোন গুমের জন্য দেশের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকেও সন্দেহের আঙ্গুল উঠেছে।

তারা দেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের জরুরি ভিত্তিতে খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে এখন মানুষ চরম আতংকিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। সরকার আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রতিনিয়ত বিরোধী দল দমনে ব্যস্থ রাখায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, গুম-অপহরণ জঙ্গিবাদের মতোই একটি ভয়াবহ অপরাধ। সুতরাং যদি জঙ্গিবাদ দমন করতে চাই তাহলে এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধকেও আগে দমন করতে হবে। গুমকে আমরা সহ্য করব, কিন্তু জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বলবো এতে কোনো লাভ হবে না। সুতরাং বাংলাদেশে যদি আমরা আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার রক্ষা করতে চাই তাহলে এর বিরুদ্ধেও সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আমরা জঙ্গিবাদকেও দমন করব, গুম-খুন অপহরণ এ জিনিসগুলো সম্পর্কেও আমাদের অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে প্রতিবাদ করতে হবে।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, গুমের জন্য বিশেষ আইন তৈরি করতে হবে। সরকারকে এবং রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা বেআইনি কাজ করছে তার প্রতিরোধ করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন বেআইনিভাবে অপরাধীদের মতোই অপরাধ করে অপরাধ দমনের চেষ্টা করে, সে সমাজে কিন্তু অপরাধ বাড়ে, সে সমাজে অপরাধ কমে না।

তারা বলেন, সরকারকে মনে রাখতে হবে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট নিরশনের চেষ্টা কখনো সফল হয় না। শক্তি প্রযোগ করতে গেলে গুম-খুন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের উচিত গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজনীতির সকল দরজা উম্মুক্ত করে দেয়া। সরকারকে মনে রাখতে হবে বহুদলীয় রাজনীতি যদি না থাকে সমাজ ও রাষ্ট্রে অশুভ ও অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটতে বাধ্য। গুমের মতো সমাজবিরোধী, মানবতাবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী এই অমানবিক দুষ্কর্মের অবসান ঘটানো সম্ভব কেবল জাতীয় ঐক্য। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই