তারিখ : ০৫ জুন ২০২০, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে অভূক্ত মানুষের পাশে ইউএনও

খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে অভূক্ত মানুষের পাশে ইউএনও
[ভালুকা ডট কম : ০৪ এপ্রিল]
সারাদেশের মত করোণা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ‘সামাজিক দুরত্ব’ বজায় রাখতে রায়গঞ্জে অধিকাংশ দোকানপাট ও রিক্সাভ্যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। ফলে হোটেল, মিষ্টির দোকান, চায়ের দোকান, প্রসাধন সামগ্রী ও বিভিন্ন বস্ত্রবিতানে কর্মরত কর্মচারী ও রিক্সাভ্যান চালকসহ কর্মহীন হয়ে পড়েছে এলাকার প্রায় অর্ধলক্ষ কর্মজীবি মানুষ। সরেজমিন অনুসন্ধানে এলাকার জনপ্রতিনিধি, এনজিওকর্মী ও উপজেলার ৯ ইউনিয়ন পরিষদের সচিবগণ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসব কর্মহীন খাদ্য সংকটে পতিত পরিবারের মাঝে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তায় ‘খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি’ চালু করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতি পরিবারের ১০দিনের খাদ্য সংস্থানের জন্য  ৫ কেজি চাল  ১ কেজি ডাল,  ১ কেজি সয়াবিন তেল ও ১ কেজি লবন প্যাকেট আকারে বিতরণ করা হচ্ছ্। ১০ দিন পর পর এই প্যাকেট বিতরণ অব্যাহত থাকবে। গত ২৯ মার্চ উপজেলার চান্দাইকোণা, ভূইয়াগাঁতী, পাঙ্গাসী ও সিমলা আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় মোট ৯৭ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি শুরু করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. ইমরুল হোসেন তালুকদার ইমন, ইউএনও মোঃ শামীমুর রহমান, উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মচারী ও স্ব স্ব এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এই কর্মসুচির আওতায় আরো ৫শত পরিবারকে অর্ন্তভূক্ত করে অচিরেই খাদ্য সামগ্রী বিতরণের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন বলে জানালেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীমুর রহমান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ইত্তেফাককে বলেন- ইতোমধ্যেই সরকারি ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় ২০ মেঃ টন চাল বরাদ্দ ও তা উপজেলার ৯ ইউনিয়নের কর্মহীন ২ হাজার নিরন্ন পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সরেজমিন বিতরণ প্রত্যক্ষ করে ও বিভিন্ন সূত্রমতে তিনি নিশ্চিত হন প্রায় ৪৩ হাজার পরিবার অনুরূপ সমস্যার মধ্যে রয়েছে। তাদের মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে খ্দ্যা সরবরাহ করা দরকার।

তিনি তা ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করাসহ স্থানীয় বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষণিক সাড়া পান। প্রথম ধাপেই ৫জন দানশীল বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। এরা হলেন- পপুলার ডায়াগনষ্টিকের ম্যানেজার (প্রশাসন) অচিন্ত্য কুমার নাগ (মিঠু), সলঙ্গা হাট ইজারাদার, পিংকি পরিবহন, ইউনোভা লিমিটেড ও এমএ মতিন কটন মিলস। এছাড়াও স্থানীয় হানিফ ইটভাটা, বর্ণ ব্রিক্স, সততা ব্রিক্স, এস এনবি ব্রিক্স, সেতু ব্রিক্সসহ বিভিন্ন  ইটভাটা মালিক ও বিভিন্ন শিল্প ও কারখানার মালিকগণ পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির সাথে যুক্ত হচ্ছেন।

খাদ্য সামগ্রী পাওয়া সিমলা আশ্রায়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা অশীতিপর বুলু বেওয়া বলেন-‘ এমুন হুময় এই চ্যাল-ড্যাল প্যাল্যাম তা মনে হতিছে আল্লার রহম। এয়্যা না পালি না খ্যায়া থাকতি হো’তো’।  ভূইয়াগাতীর মনোরঞ্জন শীলসহ অন্যান্য সহায়তা প্রাপ্তরাও তাদের কৃতজ্ঞতাপুর্ণ অনুভূতি ব্যক্ত করলেন।  #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জীবন যাত্রা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৬৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই