তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সখীপুরে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বাঁশের ট্রাক চলাচল

সখীপুরে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বাঁশের ট্রাক চলাচল,হচ্ছে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা
[ভালুকা ডট কম : ২১ ডিসেম্বর]
টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে  বেশি বাঁশ উৎপাদিত হয় সখীপুর উপজেলায়। এসব বাঁশ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা কাগজের মিলের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।উপজেলার কুতুবপুর, বড়চওনা, কালিয়া, কচুয়া, কালিদাস,সখীপুর সদর,বহেড়াতৈল,তৈলধারা,বোয়ালী,নলুয়া,দেওদীঘি ও তক্তারচালা বাজার থেকে প্রতিদনি ৩৫ থেকে ৪০টি ট্রাক করে জীবনের ঝুঁকি ও নিয়ম নীতির  তোয়াক্কা না করে বাঁশ পরিবহন করা হচ্ছে।

ওইসব ট্রাক মালিক ও বেপারীদের পুলিশকে ট্রাক প্রতি  ৩-৫ হাজার টাকা ও বন বিভাগকে ২-৩ হাজার টাকা করে চাঁদা দিয়ে ওভারলোডিং  বাঁশ ভর্তি ট্রাক সড়কে চলাচলের মৌখিক অনুমতি পান। এছাড়াও  ট্রাফিক পুলিশকে আলাদাভাবে প্রতি ট্রাকে ২-৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়। দেখা গেছে বাঁশ পরিবহন খাত থেকে অবৈধভাবে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ ও বন বিভাগ প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছেন।  কোন চালক বা বেপারী এর প্রতিবাদ করতে  গেলে বন বিভাগের কর্মীরা বন আইনে এবং পুলিশরা বিভিন্ন মামলার ভয় দেখান।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সখীপুর বাঁশের গাড়িতে বেশ কটি প্রাণহানীর মত দুর্ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ও বন বিভাগকে বাঁশের বেপারী ও ট্রাক মালিকরা চাঁদা দেওয়ায় অবৈধভাবে এসব বাঁশ ভর্তি ট্রাক চলাচল করতে প্রশাসনের পক্ষ  থেকে  কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না। তারা আরো বলেন- ঝুঁকি নিয়ে বাঁশ পরিবহনের সময় সখীপুর উপজেলার  শোলা প্রতিমা ও প্রতিমাবংকী এলাকায়  পেটে বাঁশ ঢুকে পরপর দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

জানা  গেছে, সখীপুর ও মধুপুর থেকেই সারাদেশ ছাড়াও পাবর্ত চট্টগ্রাম এলাকার বাঁশের চাহিদা পূরণ করে থাকে। এসব এলাকার বাশেঁর জন্য দেশের বেশিরভাগ কাগজের মিলগুলো নির্ভরশীল। এ সুযোগে এ উপজেলার এক শ্রেণির অসাধু বাঁশ ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে ৫ টন ওজন বহনকারী ট্রাকে অবৈধভাবে ২৫-২৮ ফুট উঁচু করে তাক সাজিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের ট্রাকগুলো সড়কে চলাচল করছে। সখীপুর টু গোড়াই, সখীপুর-  কালিয়াকৈর, সখীপুর-সীডস্টোর, কচুয়া - ভালুকা সড়কে ট্র্যান্সপোর্ট পাস (টিপি) ছাড়াই পুলিশ ও বন বিভাগের  লোকজন তাদের চাহিদা মোতাবেক চাঁদা নিয়ে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে  ট্রাকযোগে বাঁশ পরিবহন করতে  মৌখিক অনুমতি দিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমির  হোসেন বলেন, বাঁশের ট্রাক থেকে চাঁদা  নেয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। সড়কে বাঁশের ওভারলোডিং  ট্রাক যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্রুত এটি বন্ধের পদক্ষেপ নেবেন বলেও  তিনি জানান।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৩১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই